শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গাড়ি থামিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৫ জুলাই ২০২৫, ১৬:১৭

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম।

প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

জানা যায়, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ডভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন। এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই মো. সজীব মিয়া।

তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর