শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

স্মৃতিটুকু রয়ে গেছে ঢালিউডের ‘মিষ্টি মেয়ে’র

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জুলাই ২০২৫, ১৬:৪১

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর মেয়ে মিনা পাল। নাচের প্রতি তার অদম্য ভালোবাসা, আর সেই টানেই মাত্র ১৩ বছর বয়সে মঞ্চে ওঠেন নৃত্যশিল্পী হিসেবে। ডাক পান সিনেমায়। মাত্র ১৪ বছর বয়সে ১৯৬৪ সালে ‘সুতরাং’ সিনেমার নায়িকা হয়ে প্রথমবার ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান।

প্রথম সিনেমাতেই দর্শক হৃদয় জয় করে ফেলেন। এরপর বাকিটা ইতিহাস। আজ সেই কিংবদন্তি অভিনেত্রীর ৭৫তম জন্মদিন।

প্রথম সিনেমাটিই ভাগ্য খুলে দিয়েছিল।

এরপর মিনা পাল থেকে তিনি হয়ে যান সারাহ বেগম কবরী। একের পর এক ছবি দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে আসন করে নেন, অপ্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেত্রী হিসেবে ঢালিউডে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেন। ১৯৭৫ সালে নায়ক ফারুকের সঙ্গে ‘সুজন সখী’ সিনেমা তাঁকে এনে দেয় তুমুল জনপ্রিয়তা। হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘মিষ্টি মেয়ে’।

পাঁচ দশকের ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন শতাধিক সিনেমায়। কবরী বাংলাদেশের একমাত্র অভিনেত্রী, যাঁর বিপরীতে অভিষেক হয়েছিল পাঁচ নায়কের—ফারুক, জাফর ইকবাল, আলমগীর, উজ্জ্বল ও সোহেল রানা।

কবরী অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলোর মধ্যে আছে ‘সুতরাং’, ‘হীরামন’, ‘নীল আকাশের নীচে’, ‘ময়নামতি’, ‘সারেং বউ’, ‘দেবদাস’, ‘সুজন সখী’, ‘পারুলের সংসার’, ‘রংবাজ’, ‘বধূ বিদায়’, ‘আগন্তুক’, ‘বাহানা’ ও ‘তিতাস একটি নদীর নাম’।

মোহময়ী' একজন কবরীর বিদায় | চ্যানেল আই অনলাইন

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি পেয়েছেন একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, মেরিল পুরস্কার, ঋষিজ পদকসহ দেশে-বিদেশের অনেক পুরস্কার। জাতীয় চলচ্চিত্রে পেয়েছেন আজীবন সম্মাননা। শতাধিক ছবিতে অভিনয় করা কবরী জড়িয়েছেন রাজনীতিতেও।

কবরী ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি যুক্ত ছিলেন অসংখ্য নারী অধিকার ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে। ২০১৭ সালে অমর একুশে গ্রন্থমেলায় তাঁর আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’ প্রকাশ পায়। এই নামে একটি সিনেমাও করেছেন তিনি।

অভিনয়ের বাইরে তিনি ছিলেন পরিচালক, প্রযোজকও। ২০০৬ সালে ‘আয়না’ সিনেমা দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে তাঁর। এ ছাড়া তাঁর পরিচালিত ‘এই তুমি সেই তুমি’ চলচ্চিত্রের কাজ প্রায় শেষের পথে থাকলেও ছবিটির শেষ দেখে যেতে পারেননি। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৩ দিনের মাথায়, ২০২১ সালের ১৭ এপ্রিল তিনি মারা যান।

না থেকেও তিনি এখনো বেঁচে রয়েছেন তার সিনেমায়, কর্মে। তার আত্মজীবনীমূলক বই ‘স্মৃতিটুকু থাক’ শিরোনামে একটি সিনেমাও করেছেন তিনি, যার মধ্য দিয়ে এখনো স্মরণীয় হয়ে দর্শক মনে। মিষ্টি মেয়ে না থাকলেও স্মৃতিটুকু রয়ে গেছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর