শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

অব্যবস্থাপনায় নাকাল গাইবান্ধার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল

মোঃ আল আমিন, গাইবান্ধা 

প্রকাশিত:
২৪ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৩২

জনবল ও ওষুধ সংকট এবং চরম অব্যবস্থাপনায় নাকাল গাইবান্ধার ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল। মাত্র ৫০ শয্যার জনবল ও অবকাঠামো দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে এ বৃহৎ হাসপাতালটি, ফলে প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্যসেবা নিতে এসে দুর্ভোগে পড়ছেন জেলার সাত উপজেলার মানুষ।

হাসপাতালজুড়ে নোংরা পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি, ওষুধ না দেয়া এবং ভর্তি রোগীদের অযত্নের অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। অথচ প্রতিদিন গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ রোগী আউটডোর এবং প্রায় ৩০০ রোগী ইনডোর বিভাগে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

রোগী ও স্বজনদের অভিযোগ, সকাল থেকে বেলা গড়িয়ে দীর্ঘ সময় লাইনে দাড়িয়ে টিকিট সংগ্রহ করলেও চিকিৎসকরা নিয়মিত না আসা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসক না পাওয়ায় বেলা শেষে হতাশ হয়ে বাড়ি ফিরতে হয় তাদের। শুধু তাই নয় সরকারিভাবে সরবরাহ তালিকায় ওষুধ থাকলেও তা দেয়া হচ্ছে না। কিনতে হচ্ছে দোকান থেকে। পাশাপাশি চিকিৎসক ব্যবস্থাপত্রে স্লিপের মাধ্যমে যে পরিমাণ ওষুধ লিখে দেন, কাউন্টারে স্লিপ জমা নিলেও সে পরিমাণ ওষুধ দেয়া হয় না।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপড়হাটি থেকে চিকিৎসা নিতে আসা শরিফুল ইসলাম বলেন, 'দীর্ঘসময় লাইন ধরে টিকিট পেলেও চিকিৎসক না আসায় বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। টাকা না থাকায় অন্য কোথাও ডাক্তার দেখাতে পারবেন কি না সেটাও জানি না।'

ভর্তি রোগীদেরও একই অবস্থা। প্রয়োজনীয় ওষুধ বাইরে থেকে কিনতে হচ্ছে, পর্যাপ্ত বেড না থাকায় বারান্দায় গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।

পলাশবাড়ীর লাবনী বেগম অভিযোগ করে বলেন, 'সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে দুই দিন ধরে আমার চাচি হাসপাতালে ভর্তি। জরুরি বিভাগে একবার দেখেছে, এরপর আর কোনো চিকিৎসক আসেননি। ব্যথায় কাতরাচ্ছেন তিনি।'

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. আসিফ রহমান বলেন, 'এই হাসপাতাল চালানো হচ্ছে ৫০ শয্যার জনবল দিয়ে এবং ৫০ শয্যার যে চিকিৎসক ও জনবল থাকার কথা সেখানে আছে তারও অর্ধেক। এতে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে যাচ্ছি।'


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর