শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

অরিজিতের অনুষ্ঠানে হঠাৎ বন্ধ বিদ্যুৎসেবা! ভক্তদের ক্ষোভ

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:২৫

অরিজিৎ সিংয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ বিদ্যুৎবিভ্রাট! অনুষ্ঠান চলাকালীনই বন্ধ হয়ে গেল আলো, শব্দও। শ্রোতা-দর্শককে বিদায় পর্যন্ত জানাতে পারেননি শিল্পী। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু সামাজিক মাধ্যমে।

কয়েক দিন আগে লন্ডনে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন অরিজিৎ। তার অনুষ্ঠান মানেই জনজোয়ার। এই অনুষ্ঠানেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নিজের গানের সঙ্গে এই দিন অরিজিতের কণ্ঠে ‘সাইয়ারা’ ছবির মূল গানটি অর্থাৎ ‘সাইয়ারা’ শুনে মুগ্ধ হন শ্রোতারা। ছবিতে এই গান গেয়েছেন ফাহিম আবদুল্লা। গানটি মানুষের মুখে মুখে ফিরছে। এ বার সেই গান অরিজিতের কণ্ঠে শুনে আবেগে ভাসলেন শ্রোতারা। তারাও গলা মেলান অরিজিতের সঙ্গে।

তখন রাত সাড়ে দশটা। অনুষ্ঠান তখন শেষ পর্যায়ে। লন্ডন স্টেডিয়ামে আচমকা বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎসেবা। তখন অরিজিত একটি গান গাইছিলেন। চারদিক অন্ধকার হয়ে যায়। হতাশ দর্শকেরা একে একে বেরিয়ে যেতে শুরু করেন। অরিজিৎ শেষ পর্যন্ত বিদায় সম্ভাষণও জানাতে পারেননি তাদের। এই দেখে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন অরিজিতের ভক্তরা। সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন তারা।

লন্ডন স্টেডিয়ামে নিয়ম রয়েছে, রাত সাড়ে দশটার মধ্যে বন্ধ করতে হবে অনুষ্ঠান। জানা গেছে, সেই নিয়ম মেনেই নাকি বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ পরিষেবা। অনেকে লন্ডন স্টেডিয়ামের এই সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছেন।

এক নেটিজেন লিখেছেন, “নিয়ম তো মানতেই হবে। ভারতেও যদি এমন হত!”

আরেকজন লিখেছেন, “শব্দদূষণকে গুরুত্ব দেওয়া হয় লন্ডনে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠন শেষ করতে হয়। অরিজিৎ নিজেও দেরিতে অনুষ্ঠানে পৌঁছেছিলেন। তাই দেরি হয়েছিল অনুষ্ঠান শেষ করতে।”

তবে অরিজিতের এক ভক্ত দাবি করেছেন, অরিজিৎ ইচ্ছে করেই এইভাবে অনুষ্ঠান শেষ করেন। সমাপ্তির আগে খুব জনপ্রিয় একটি গান ধরেন। তখন আলো নিভে গেলে শ্রোতারা গাইতে থাকেন। রেশ থেকে যায় সেই গানের।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর