শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে যেসব খাবার সাহায্য করে 

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৫:৪৭

বিশ্বজুড়ে দ্রুত বাড়ছে ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা। চিকিৎসা বিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট এর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, তরুণ প্রজন্মের মধ্যেই স্তন, লিভার, মলাশয়, মলদ্বার, পিত্তথলি ও অগ্ন্যাশয়সহ প্রায় ১৭ ধরনের ক্যান্সার ধরা পড়ছে।

গবেষকেরা বলছেন, জিনগত কারণের পাশাপাশি অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন ও অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসও ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। তবে কিছু খাবার নিয়মিত খেলে এ ঝুঁকি কমানো সম্ভব। চলুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে পারে।

টক দই
প্রোবায়োটিক ও উপকারী ব্যাকটেরিয়ায় সমৃদ্ধ টক দই শরীরের ক্ষতিকারক জীবাণু ধ্বংস করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে রয়েছে ভিটামিন এ, বি-৬, ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের গবেষণা বলছে, টক দই নিয়মিত খেলে কোলন, ফুসফুস ও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।

দইয়ের ঘোল

দইয়ের ঘোলে থাকা প্রোবায়োটিক শরীরের প্রদাহ কমায়। এতে রয়েছে ভিটামিন বি, পটাশিয়াম, প্রোটিন ও খনিজ। গবেষণায় দেখা গেছে, এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট উপাদান কোষের অনিয়মিত বিভাজন ঠেকিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে।

পনির

পনির প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও সেলেনিয়ামের একটি ভালো উৎস। সেলেনিয়াম অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে, কোষের প্রদাহ কমিয়ে শরীর থেকে টক্সিন দূর করে। তবে পনির সবসময় পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘি

ঘিতে রয়েছে ভিটামিন এ, ডি, ই ও কে। এতে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের মাত্রা তুলনামূলক কম। গবেষণায় পাওয়া গেছে, ঘিতে থাকা কনজুগেটেড লিনোলিক অ্যাসিড ক্যান্সার কোষ তৈরি হতে বাধা দেয়। পাশাপাশি বিউটারিক অ্যাসিড অন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটিয়ে লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করতে সাহায্য করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পরিমিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন মেনে চললে ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর