প্রকাশিত:
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৮:০৬
ব্রাহ্মণাবড়িয়ার আখাউড়ায় পৌর শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ ওসমান খান, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক দলের সদস্য সচিব মো, মিঠু ভূইয়া, উপজেলা জাতীয়তাবাদী জাসাসের আহবায়ক আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও জমির একাংশ দাবির অভিযোগ করেছেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মোঃ হারুনুর রশিদ ভূইয়া।
চাঁদা না দেওয়ায় ওই পক্ষটি মানহানিকার অপপ্রচার করছে বলে অভিযোগ করেছেন হারুনুর রশিদ। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেছেন মোঃ হারুনুর রশিদ ভূইয়া।
উপজেলা মডেল মসজিদের সম্মেলন কক্ষে এ সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়। অভিযুক্ত চাঁদাদাবী কারীরা হলেন ওয়াসিম ভ্ইূয়া, ওসমান খান, আব্দুল মালেক, মিঠু ভূইয়া।
লিখিত বক্তব্যে মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, আমি আখাউড়া রাধানগর মৌজার বড় বাজার এলাকায় ২০২৫ সনে ৬২ শতক জায়গা ক্রয় করি। যা আমার নামে খারিজ খতিয়ান হয়েছে। সম্প্রতি আমি আমার জায়গায় দোকান নির্মাণ নির্মাণ কাজ শুরু করলে তারা আমার কাছে চাঁদা দাবি করে। আমি জায়গা দিতে রাজি না হওয়ায় তারা আমার নামে অপপ্রচার শুরু করে। কয়েকদিন আগে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করে আমার নামে বিভিন্ন মিথ্যা অপপ্রচার ও আমাকে ভূমিদস্যু আখ্যা দেয়। চাঁদাবাজরা যে কোন সময় আমার উপর আক্রমণ করতে পারে।
এ ব্যাপারে পৌর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক উসমান খান জানান, পৌর শহরের রাধানগর মৌজার বড়বাজারে একটি প্রাইমারি স্কুলের জন্য জায়গা বরাদ্দ ছিল। এখানে স্কুলের সাইনবোর্ডও নির্মাণ করা হয়েছিল। আমরা এলাকাবাসী চাই এখানে স্কুল প্রতিষ্ঠিত হোক। চাঁদা দাবির প্রশ্নই আসেনা।
উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আব্দুল মালেক জানান, স্কুলের জন্য প্রস্তাবিত জায়গাটির সাইনবোর্ড সরিয়ে বিএনপি ও আওয়ামীলীগের লোকজন স্থাপনা নির্মাণ করছে। তারই প্রতিবাদে এলাকাবাসী মানববন্ধন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছে। আমি স্কুলের জায়গা দখলের প্রতিবাদ করায় আমার বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মিঠু ভূইয়া বলেন, ২০১৫ সালে স্কুলের নাম দিয়ে সরকারি জায়গাটি ভরাট করা হয়। কিন্তু দু:খের বিষয় হলো আজও স্কুল করা হয়নি। আওয়ামীলীগের দোসরা বিএনপির কিছু লোকের সাথে মিলে জায়গাটি ভূয়া কাগজপত্র করে দখলে নিছে। চাঁদা দাবির কথাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
মন্তব্য করুন: