শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

গাজার জন্য ৯০০ টন খাদ্য নিয়ে যাচ্ছে তুরস্কের জাহাজ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৬ অক্টোবর ২০২৫, ১৬:৫০

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের জন্য ৯০০ টন খাদ্য নিয়ে তুরস্কের একটি বিশাল জাহাজ মিসরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।

গত মঙ্গলবার জাহাজটি দেশটির দক্ষিণ মার্সিন আন্তর্জাতিক বন্দর থেকে মিসরের আল আরিস বন্দরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

তুরস্কের বিপর্যয় এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এএফএডি) এই ত্রাণ পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে। তাদের সহায়তা করছে মিসরীয় রেড ক্রিসেন্ট এবং ১৭টি এনজিও।

এই ৯০০ টন খাবার মিসর হয়ে গাজা-ইসরায়েলের কারিম আবু সালেম ক্রসিং দিয়ে গাজায় প্রবেশ করবে। এবারের জাহাজে করে নেওয়া হয়েছে রেডি টু ইট খাবার, কৌটাজাত খাবার এবং শিশুদের ফর্মুলা।

বন্দরে জাহাজটিকে বিদায় জানাতে আসেন তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়ারলিকিয়া। তিনি বলেছেন, “আরেকটি জাহাজ গাজার দিকে যাচ্ছে। ভূমধ্যসাগরীয় এ জাহাজটিতে ৯০০ টন সাধারণ খাবার, কৌটাজাত খাবার এবং শিশুদের ফর্মুলা রয়েছে।”

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় নির্বিচারে হামলা শুরু করে ইসরায়েল। এরপর গাজায় পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে ইহুদিবাদী ইসরায়েল। এমনকি সেখানে খাদ্য সরবরাহও বন্ধ করে দেয় তারা। এতে করে মানুষ চরম খাদ্য সংকটে পড়ে।

তা সত্ত্বেও গাজার মানুষের জন্য খাবার পাঠানো অব্যাহত রেখেছিল তুরস্ক। দেশটি রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৭টি জাহাজ এবং ১৪টি বিমানে করে গাজার জন্য খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে।

এদিকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬৭ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুই লাখের বেশি মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় গত সপ্তাহে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। যুদ্ধবিরতিটি অত্যন্ত ভঙ্গুর হলেও এখনো এটি কার্যকর আছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর