প্রকাশিত:
২৫ অক্টোবর ২০২৫, ১৮:২৬
রাজবাড়ীর পাংশায় র্যাব পরিচয়ে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পাংশা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় লুন্ঠিত মুরগিবোঝাই নীল রঙের মিনি পিকআপ (ঢাকা মেট্রো–ন–২১–৭৯৯৭) উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানার মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে জুয়েল ওরফে সানি (৪০) এবং গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর থানার ফারুক মিয়ার ছেলে লিমন মিয়া (৩২)।
শনিবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে পাংশা মডেল থানায় আয়োজিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) তাপস কুমার পাল বলেন, গত ২১ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে রাজবাড়ী–কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কের বাবুপাড়া ইউনিয়নের বালিয়াপাড়া এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পরিচয়ে একদল ডাকাত একটি মুরগিবোঝাই পিকআপ থামায়।ডাকাতরা চালক, হেলপার ও লাইনম্যানকে মাদক আছে বলে গাড়ি থেকে নামিয়ে হাত-মুখ ও চোখ বেঁধে ফেলে। পরে তারা পিকআপসহ মুরগি লুট করে তিনজনকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার স্বস্তিপুর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পিকআপ মালিক বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ অক্টোবর সকালে ঢাকার আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ী বাজার এলাকা থেকে প্রথমে জুয়েল ওরফে সানিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যে পরে একই এলাকা থেকে লিমন মিয়াকেও গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে লিমন জানায়, লুন্ঠিত পিকআপটি বরিশাল কোতোয়ালী থানার রুপাতলী এলাকায় রাখা হয়েছে। পরে পুলিশের একটি দল তাদের নিয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে পিকআপটি উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, গ্রেপ্তার জুয়েলের বিরুদ্ধে ফরিদপুর ও মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও অস্ত্রসহ অন্তত চারটি মামলা রয়েছে। অপরদিকে, লিমনের বিরুদ্ধেও নারী ও শিশু নির্যাতন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে অন্তত চারটি মামলা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, “গ্রেপ্তার দুইজনই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্য সদস্যদের ধরতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার (পাংশা সার্কেল) দেব্রত সরকার ও পাংশা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
মন্তব্য করুন: