প্রকাশিত:
১৭ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৩৩
ভোলার মনপুরায় দেখভালের অভাবে কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না প্রত্যন্ত গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে,সড়কের পাশে স্থাপন করা টিআর/কাবিটা' র সৌর বিদ্যুৎ এর বাতি গুলো । কোটি টাকার সৌর সড়কবাতির প্রায় ৮০ শতাংশই বাতি নষ্ট হয়ে গেছে।
পুরো মনপুরার ১,২,৩ ও ৪ নং ইউনিয়ন ঘুরে স্থানীয় সুত্রে জানাযায় অনেক জায়গায় সোলার লাইট স্থাপনের কয়েক মাসের মধ্যে তা দেখতে অনেকটা খেলনা লাইটের মত হয়ে গেছে। কোথাও কোথাও সোলার আছে বাতি নেই,বাতিওআছে সোলারও আছে নেই শুধু আলো, ল্যামপোস্ট ভেঙে পড়েছে। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে এগুলো রক্ষানাবেক্ষণ, সংস্কারের কোন বরাদ্দ না থাকায় হচ্ছেনা মেরামত।
নিম্নমানের, নামসর্বস্ব সৌর প্যানেলসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ সংযোজন করে একটি সিন্ডিকেট এই বরাদ্দের বেশির ভাগ অর্থই হাতিয়ে নিয়েছে বলে জানাযায় । সরকারি অর্থে স্থাপন করা এসব সোলার বাতির ৩ বছরের ওয়ারেন্টি থাকলেও কয়েক মাস পরেই হয়েযায় অকেজো । এদিকে সৌরবাতিগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় অন্ধকারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষকে।
মনপুরার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে আলোর ব্যবস্থা না থাকায় সাম্প্রতিক সময়ে বাড়ছে মাদক আসক্তদের আড্ডা, চুরি, ছিনতাইয়ের মতো ঘটনা। এসব সৌরবাতি বসানোর প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল প্রত্যন্ত গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর মোড় আলোকিত করা। কিন্তু রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এ উদ্দেশ্য খুব একটা কাজে দিচ্ছে না।
মনপুরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ত্রাণ পুনর্বাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের টিআর/কাবিটা ও বিশেষ বরাদ্দ এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা পরিচালন ও উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৫-১৬ হতে ২০১৯-২০ অর্থবছরে এসব সোলার প্যানেলযুক্ত সড়কবাতি স্থাপন করা হয়। কিন্তু স্থাপন করার কয়েক মাস থেকেই কাজে আসছে না বাতিগুলো।
মনপুরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এ প্রসঙ্গে জানান , কাবিটা, টিআর কর্মসূচির আওয়তায় স্থাপিত সোলার সিস্টেমের মেরামতের কোনো বরাদ্দ না থাকায় অকেজো বাতিগুলো মেরামত করা যাচ্ছে না। তবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করব। তবে সড়কবাতিগুলোর সার্ভিসিংয়ের আওতায় আনলে এগুলো আবার সচল হয়ে যাবে। বরাদ্দ না থাকায় মেরামত কার্যক্রম থমকে আছে বলে জানান তিনি।
মন্তব্য করুন: