শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

রোহিঙ্গাদের অর্থ সহায়তা দিচ্ছে চীন

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:১৫

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় ২৫ লাখ মার্কিন ডলার অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে চীন। এই অনুদানকে স্বাগত জানিয়েছে জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। ইউএনএইচসিআর জানায়, গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন তহবিলের অর্থায়নে এই সহায়তা দেয়া হবে।

এর মাধ্যমে আগামী বছরের অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৪ লাখ ৫৮ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থীর চন্য ৯৪ হাজার পরিবারকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এতে বিশ্বের অন্যতম ঘনবসতিপূর্ণ শরণার্থী এলাকায় নিরাপদ ও পরিচ্ছন্ন রান্নার জ্বালানি নিশ্চিত হবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি ইভো ফ্রেইসেন জানান, বৈশ্বিক অর্থসহায়তা কমে যাওয়ার এই সময়ে চীনের অনুদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, এই সহায়তা শুধু রান্নার গ্যাস সরবরাহেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি শরণার্থীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তার তহবিল কমে আসায় ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবন আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে চীন তার সহায়তা অব্যাহত রাখছে। তিনি জানান, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে চীন ইউএনএইচসিআর ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ১১ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী বসবাস করছে, যারা দৈনন্দিন প্রয়োজনের জন্য মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। ইভো ফ্রেইসেন বলেন, ২০১৮ সালে এলপিজি সরবরাহ শুরু হওয়ার পর থেকে শরণার্থীদের আর জ্বালানি কাঠ সংগ্রহে বাইরে যেতে হচ্ছে না। এতে নারী ও মেয়েদের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমেছে এবং শিশুরা স্কুলে বেশি সময় দিতে পারছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দাতা জনগোষ্ঠীর জন্য টেকসই আন্তর্জাতিক সংহতি অত্যন্ত জরুরি। চীনের মতো অংশীদারদের সহায়তা বাংলাদেশে রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় মানবিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর