প্রকাশিত:
৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:২৫
বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক স্বল্পতা দূর করতে বড় ধরনের নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। প্রতিষ্ঠানটি সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষক নিয়োগের সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
এই বিজ্ঞপ্তির আওতায় দেশের এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ৬৭ হাজার ২০৮টি শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। পদের বিন্যাস অনুযায়ী, সাধারণ স্কুল ও কলেজে ২৯ হাজার ৫৭১টি পদ রয়েছে। তবে এবারের বিজ্ঞপ্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি নিয়োগের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যেখানে শূন্য পদের সংখ্যা ৩৬ হাজার ৮০৪টি। এছাড়া কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ৮৩৩টি পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। এনটিআরসিএ জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানভেদে এই শূন্য পদের সংখ্যা কিছুটা কম বা বেশি হতে পারে।
আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য আবেদনের সময়সীমাও সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তির অধীনে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে।
আবেদন ফরম পূরণ এবং নির্ধারিত ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত। তবে আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৪ জুন তারিখে আবেদনকারীদের বয়স সর্বোচ্চ ৩৫ বছর হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষক নিবন্ধন সনদের মেয়াদ সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ থেকে তিন বছরের মধ্যে থাকা আবশ্যক। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক নির্দেশনা মোতাবেক, বর্তমানে কর্মরত ইনডেক্সধারী শিক্ষকরা একই পদে পুনরায় আবেদনের সুযোগ পাবেন না।
যোগ্য প্রার্থীরা পদভিত্তিক শূন্য পদের বিস্তারিত তালিকা, আবেদন ফরম এবং নিয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য এনটিআরসিএ’র নিজস্ব ওয়েবসাইট অথবা টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের নির্ধারিত পোর্টাল থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বে ২০২৫ সালে প্রকাশিত ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এনটিআরসিএ ৪১ হাজার ৬২৭ জন শিক্ষককে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল। এ পর্যন্ত এনটিআরসিএ মোট ১৮টি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা এবং ছয়টি গণবিজ্ঞপ্তি সফলভাবে সম্পন্ন করেছে। এবারের সপ্তম গণবিজ্ঞপ্তিটি শিক্ষক নিবন্ধনধারী হাজার হাজার চাকরিপ্রত্যাশীর জন্য এক বিশাল কর্মসংস্থানের সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আবেদনের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হওয়ায় প্রার্থীরা কোনো ঝামেলা ছাড়াই ঘরে বসে তাঁদের পছন্দমতো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন।
মন্তব্য করুন: