শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

করাচিতে শপিং মলে অগ্নিকাণ্ড: নিহত বেড়ে অন্তত ১১, নিখোঁজ অনেকে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২৫

পাকিস্তানের সবচেয়ে জনবহুল শহর করাচিতে একটি বড় শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই দুর্ঘটনার পর সোমবার থেকে দমকলকর্মীরা নিখোঁজ থাকা ৬০ জনের বেশি মানুষের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছেন। শনিবার গভীর রাতে করাচির বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত বহুতল গুল প্লাজা শপিং সেন্টারে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে জ্বলতে থাকে, ফলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

রবিবার ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় আগুন নেভানোর পর দমকলকর্মীরা ভবন ঠান্ডা করা ও ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু করেন। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, এখনও ভবনের ভেতরে আরো মানুষ আটকে থাকতে পারেন। করাচির পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ জানান, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১ জনে দাঁড়িয়েছে। এদিকে করাচির মেয়র মুরতাজা ওয়াহাব জানান, এখনও ৬০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

দমকল বিভাগ জানায়, ভবনটিতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় ভেতরে ঘন ধোঁয়া জমে যায়। এতে এই মার্কেটের ভেতরে আটকে পড়া মানুষদের কাছে পৌঁছাতে অনেক দেরি হয়। সিন্ধ প্রদেশের পুলিশপ্রধান জাভেদ আলম ওধো বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সার্কিট ব্রেকার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তিনি আরো জানান, বাজারের কার্পেট ও কম্বলের মতো দাহ্য সামগ্রী থাকায় আগুনের কিছু অংশ দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলতে থাকে।

রবিবার সন্ধ্যার মধ্যে ভবনের বড় একটি অংশ ধসে পড়ে। রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে বাঁকানো লোহার কাঠামো, ধ্বংসাবশেষ, ভেঙে পড়া এসি ইউনিট ও দোকানের সাইনবোর্ড। উদ্ধারকর্মীরা সতর্ক করে জানান, ভবনের বাকি অংশ এখনও ঝুঁকিপূর্ণ এবং আরো ধসে পড়তে পারে।
উদ্ধার সংস্থার তথ্যমতে, শনিবার রাত ১০টা ৩৮ মিনিটে প্রথম জরুরি ফোনকল আসে, যেখানে জানানো হয় নিচতলার দোকানগুলোতে আগুন লেগেছে।

দমকল বাহিনী পৌঁছানোর আগেই আগুন ওপরের তলাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো ভবনের বড় অংশ গ্রাস করে। দোকানদার ও স্থানীয় বাসিন্দারা গণমাধ্যমকে জানান, আগুন লাগার পর শুরুতে দেরিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পাশাপাশি পানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাব থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সমস্যা হয়। এতে বহু ব্যবসায়ীর কয়েক দশকের জীবিকা একেবারে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে তারা অভিযোগ করেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর