শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী করসহ তিনজনের সম্পদের হিসাব চায় দুদক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:৪৩

অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘আলফা আই স্টুডিওর’ স্বত্বাধিকারী শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া ও বিজ্ঞাপন নির্মাতা সৈয়দ গাউসুল আলমের সম্পদের হিসাব চাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, এনফোর্সমেন্ট অভিযানে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তথ্য সরবরাহ না করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের তথ্য অনুযায়ী, শাহরিয়ার করিম ভূঁইয়া আলফা আই স্টুডিওর স্বত্বাধিকারী এবং এসভিএফ-আলফা আই প্রোডাকশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা। বিজ্ঞাপন নির্মাতা সৈয়দ গাউসুল আলম ‘গ্রে এডভারটাইজিং বাংলাদেশ লিমিটেডের’ স্বত্বাধিকারী ছিলেন। বর্তমানে তিনি ট্রান্সকম গ্রুপের বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠান ‘ডট বার্থের’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক। অন্যদিকে মডেল ও অভিনেত্রী ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর ২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার নির্বাচিত হন। এরপর নিয়মিত অভিনয়ে সক্রিয় ছিলেন তিনি। জড়িত ছিলেন আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গেও। দুদকের ভাষ্য, গত ২৮ ডিসেম্বর আলফা আই প্রোডাকশনের বিরুদ্ধে অভিযানটি চালানো হয়।

চলচ্চিত্র নির্মাণের আড়ালে অবৈধ অর্থ লেনদেন, হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, আয় গোপন, কর ফাঁকি ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিভিন্ন নথিপত্র যাচাই করা হয় এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নথিপত্রও সংগ্রহ করা হয়। দুদক বলেছে, এসব তথ্য ও নথিপত্র পর্যালোচনার পর এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনকে একটি প্রতিবেদন দেয়। তার ভিত্তিতেই তিনজনের সম্পদ ও দায়-দেনার হিসাব চাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর