শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ে আইসিসির দিকে অভিযোগের আঙুল

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আগেভাগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় জুনিয়র টাইগাররা। তবে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, দলের ওপর চাপানো অতিরিক্ত ও ক্লান্তিকর ভ্রমণসূচিকেও এই ব্যর্থতার বড় কারণ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ শিবির।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হাবিবুল বাশার মনে করেন, ভুল হিসাব-নিকাশ ও অসম ভ্রমণসূচি দলকে বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এক জাতীয় দৈনিককে তিনি বলেন, ‘শুধু দৃষ্টিভঙ্গির বিষয় নয়, আমাদের হিসাব-নিকাশে ঘাটতি ছিল (ইংল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে)। তবে এই ভ্রমণ সূচির বিষয়টি তুলে ধরতেই হবে, মানুষ এটাকে অজুহাত ভাবলেও।’

টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই শুরু হয় ভ্রমণ দুর্ভোগ। ৬ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ে পৌঁছে বাংলাদেশ দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে বাধ্য হয় দুই ভিন্ন শহরে, মাসভিংগো ও হারারেতে। এই দুই শহরের দূরত্ব প্রায় চার ঘণ্টার বাসযাত্রা, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
আইসিসি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট নিষিদ্ধ করায় টুর্নামেন্টজুড়েই দলগুলোকে বাসে ভ্রমণ করতে হয়। ফলে বাংলাদেশের ভ্রমণসূচি আরো কষ্টকর হয়ে ওঠে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে হারারে থেকে বুলাওয়াইও যেতে হয় প্রায় নয় ঘণ্টার বাসযাত্রায়, তা-ও বর্ষা মৌসুমে।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি কমাতে বিসিবি নিজ খরচে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে।

হাবিবুল বাশার বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ছেলেরা যেন খুব ক্লান্ত না হয়ে পড়ে, সে জন্য বিসিবি নিজ উদ্যোগে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। কারণ বাসযাত্রা ছিল অত্যন্ত দীর্ঘ।’

ম্যাচের মাঝেই বারবার শহর পরিবর্তনের কারণে খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ব্যাপক হতাশা তৈরি হয়। প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজও এই ভ্রমণ সূচিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

বুলাওয়ে থেকে হারারে যাওয়ার পথে তিনি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে বলেন,

আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আগেভাগেই বিদায় নিশ্চিত হয়েছে। সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যায় জুনিয়র টাইগাররা। তবে শুধু মাঠের পারফরম্যান্স নয়, দলের ওপর চাপানো অতিরিক্ত ও ক্লান্তিকর ভ্রমণসূচিকেও এই ব্যর্থতার বড় কারণ হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ শিবির।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গেম ডেভেলপমেন্ট কো-অর্ডিনেটর হাবিবুল বাশার মনে করেন, ভুল হিসাব-নিকাশ ও অসম ভ্রমণসূচি দলকে বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এক জাতীয় দৈনিককে তিনি বলেন, ‘শুধু দৃষ্টিভঙ্গির বিষয় নয়, আমাদের হিসাব-নিকাশে ঘাটতি ছিল (ইংল্যান্ড ও ভারতের বিপক্ষে)। তবে এই ভ্রমণ সূচির বিষয়টি তুলে ধরতেই হবে, মানুষ এটাকে অজুহাত ভাবলেও।’
টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই শুরু হয় ভ্রমণ দুর্ভোগ। ৬ জানুয়ারি জিম্বাবুয়ে পৌঁছে বাংলাদেশ দল দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে বাধ্য হয় দুই ভিন্ন শহরে, মাসভিংগো ও হারারেতে।

এই দুই শহরের দূরত্ব প্রায় চার ঘণ্টার বাসযাত্রা, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই খেলোয়াড়দের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে।
আইসিসি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট নিষিদ্ধ করায় টুর্নামেন্টজুড়েই দলগুলোকে বাসে ভ্রমণ করতে হয়। ফলে বাংলাদেশের ভ্রমণসূচি আরো কষ্টকর হয়ে ওঠে। গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে হারারে থেকে বুলাওয়াইও যেতে হয় প্রায় নয় ঘণ্টার বাসযাত্রায়, তা-ও বর্ষা মৌসুমে। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে খেলোয়াড়দের ক্লান্তি কমাতে বিসিবি নিজ খরচে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে।

হাবিবুল বাশার বলেন, ‘ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগে ছেলেরা যেন খুব ক্লান্ত না হয়ে পড়ে, সে জন্য বিসিবি নিজ উদ্যোগে ফ্লাইটের ব্যবস্থা করেছে। কারণ বাসযাত্রা ছিল অত্যন্ত দীর্ঘ।’ ম্যাচের মাঝেই বারবার শহর পরিবর্তনের কারণে খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের মধ্যে ব্যাপক হতাশা তৈরি হয়। প্রধান কোচ নাভিদ নেওয়াজও এই ভ্রমণ সূচিতে ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

বুলাওয়ে থেকে হারারে যাওয়ার পথে তিনি সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে বলেন, ‘নয় ঘণ্টা বাসে।’

বাংলাদেশের তুলনায় বেশ কয়েকটি বড় দল অনেক হালকা ভ্রমণ সূচি পেয়েছে। ভারত তাদের সব ম্যাচ ও অনুশীলন একই ভেন্যুতে খেলেছে। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও ভ্রমণ চাপ ছিল তুলনামূলক অনেক কম।

এই বৈষম্যই নতুন করে টুর্নামেন্ট সূচি ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ শিবির।

হাবিবুল বাশারের অভিযোগ, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই আইসিসিকে ভ্রমণ সূচির অসুবিধার কথা জানানো হয়েছিল। তবে সে সময় কোনো সমাধান আসেনি।

‘আমরা আগেই অনুরোধ করেছিলাম যেন প্রস্তুতি ম্যাচের সূচি পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু তারা শোনেনি। একবার টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে গেলে এসব আর বদলানো যায় না,’ বলেন বাশার। বাংলাদেশের তুলনায় বেশ কয়েকটি বড় দল অনেক হালকা ভ্রমণ সূচি পেয়েছে। ভারত তাদের সব ম্যাচ ও অনুশীলন একই ভেন্যুতে খেলেছে। অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ক্ষেত্রেও ভ্রমণ চাপ ছিল তুলনামূলক অনেক কম। এই বৈষম্যই নতুন করে টুর্নামেন্ট সূচি ও পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বাংলাদেশ শিবির।

হাবিবুল বাশারের অভিযোগ, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই আইসিসিকে ভ্রমণ সূচির অসুবিধার কথা জানানো হয়েছিল। তবে সে সময় কোনো সমাধান আসেনি।

‘আমরা আগেই অনুরোধ করেছিলাম যেন প্রস্তুতি ম্যাচের সূচি পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু তারা শোনেনি। একবার টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে গেলে এসব আর বদলানো যায় না,’ বলেন বাশার।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর