শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

এপস্টেইনের সঙ্গে নতুন তথ্য প্রকাশ, লেবার পার্টি ছাড়লেন পিটার ম্যান্ডেলসন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৪

সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী পিটার ম্যান্ডেলসন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের লেবার পার্টির সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। প্রয়াত মার্কিন ব্যবসায়ী ও কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে তার আরো তথ্য প্রকাশের পর গতকাল রবিবার পদত্যাগের ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের এই রাষ্ট্রদূত। 

এর আগে, এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর গত বছর স্টারমার তাকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত পদ থেকে বরখাস্ত করেছিলেন। সর্বশেষ পদত্যাগের বিষয়ে ম্যান্ডেলসন বলেন, তিনি লেবার পার্টিকে আরো বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চান না।

চিঠিতে তিনি আরো দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ প্রকাশিত নথির ভিত্তিতে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে যে অভিযোগ করা হয়েছে (এপস্টেইনের কাছ থেকে তিনি আর্থিক সুবিধা পেয়েছিলেন) তা মিথ্যা। বিষয়টি তিনি তদন্ত করে দেখবেন বলেও জানান।

১৯৯০-এর দশকে টনি ব্লেয়ারের প্রধানমন্ত্রীত্বকালে লেবার পার্টির নির্বাচনী সাফল্যে ম্যান্ডেলসনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তবে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের প্রকাশিত নথিতে এপস্টেইনকে লেখা একটি চিঠিতে তাকে ‘আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ বলে উল্লেখ করার পর নতুন করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি।

দেশীয় রাজনীতিতেও তার ক্যারিয়ার ছিল বিতর্কপূর্ণ। ১৯৯৮ সালে এক সহকর্মী মন্ত্রীর কাছ থেকে গৃহঋণ নেওয়ার ঘটনায় স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ ওঠায় তিনি বাণিজ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। ২০০১ সালে পাসপোর্ট কেলেঙ্কারিতে এক ভারতীয় ধনকুবেরকে ঘিরে অভিযোগের কারণে আবারও তাকে মন্ত্রিসভা ছাড়তে হয়, যদিও পরে তিনি দায়মুক্তি পান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক বাণিজ্য কমিশনার ম্যান্ডেলসন বর্তমানে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে ছুটিতে রয়েছেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর