শুক্রবার, ১লা মে ২০২৬, ১৮ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • সংবিধানের দোহাই আর নয়, আমরা ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই
  • গুম-খুনের ব্যাপারে ট্রাইব্যুনাল সহায়তা চাইলে করা হবে : র‍্যাব ডিজি
  • ইসরায়েলের আবাসিক ভবনে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত, ২ জন নিহত
  • বিধ্বস্ত বিমানের দ্বিতীয় ক্রু উদ্ধার, তবে ইরান থেকে বের হতে পারেনি এখনো
  • ঢাকায় যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য দূত
  • প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বেসরকারি খাত উপদেষ্টা পরিষদের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত
  • বাসা-বাড়িতে লাইট-ফ্যান ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার খবর ভুয়া : বিএনপি
  • ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বড় চমক’ আছে, সতর্কতা ইরানের
  • কলকাতায় হামলার হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর
  • আমেরিকা-চীন-রাশিয়া: পররাষ্ট্রনীতিতে কোনদিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ?

খামেনির মৃত্যুর পর তেহরানে ‘সিংহাসনের লড়াই’—শেষে জয় মোজতবার

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ মার্চ ২০২৬, ১১:১৮

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির ক্ষমতার কেন্দ্রে শুরু হয় তীব্র দ্বন্দ্ব। নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া এক পর্যায়ে রূপ নেয় নাটকীয় ক্ষমতার লড়াইয়ে, যেখানে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়ায় সামরিক প্রভাবশালী গোষ্ঠী ও মধ্যপন্থীরা।

এই সংকটময় সময়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসেন তার ছেলে মোজতবা খামেনি। বাইরে থেকে বিষয়টি সহজ মনে হলেও ভেতরে ভেতরে চলছিল ব্যাপক টানাপড়েন। ধর্মীয় আলেমদের পরিষদ বিভক্ত হয়ে পড়ে এবং ক্ষমতাবান রেভল্যুশনারি গার্ডস তাদের পছন্দের প্রার্থীকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে।

মধ্যপন্থীরা চেয়েছিল নতুন মুখ, যিনি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সক্ষম হবেন। অন্যদিকে কট্টরপন্থীরা চেয়েছিল শক্ত অবস্থান ধরে রাখা নেতৃত্ব। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই কয়েক দফা গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে মোজতবা খামেনি প্রয়োজনীয় সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হন। যদিও এই সিদ্ধান্তের আগে ও পরে নানা বাধা ও বিতর্ক তৈরি হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব পরিবর্তন নয়, বরং ইরানের ভবিষ্যৎ নীতির দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করেছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর