শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

৯ ব্যাংকের চেক ও পে অর্ডার নেবে না চট্টগ্রাম বন্দর

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:০৭

এস আলম গ্রুপসংশ্লিষ্ট সাতটি ব্যাংকসহ ৯টি ব্যাংকের কোনো চেক, পে অর্ডার গ্রহণ করবে না চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। কোনো প্রতিষ্ঠান এসব ব্যাংকের চেক বা পে অর্ডার প্রদান করলে সেগুলো গ্রহণ না করতেও সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান অর্থ ও হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুস শাকুর স্বাক্ষরিত এক দপ্তর আদেশে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়। (৩১ আগষ্ট) শনিবার দুপুরে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব ওমর ফারুক।


ব্যাংকগুলো হলো—গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক পিএলসি, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, পদ্মা ব্যাংক পিএলসি, ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি ও আইসিবি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সাম্প্রতিক সময়ে ৯টি ব্যাংকের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মে চলছে না। এসব ব্যাংক থেকে পূর্বের মেয়াদি আমানতসহ বিভিন্ন আমানত উত্তোলন করতে পারছে না বন্দর। ফলে এসব ব্যাংকে নতুন করে সব ধরনের লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।


চলতি সপ্তাহে ব্যাংক থেকে তোলা যাবে পাঁচ লাখ টাকা:

চলতি সপ্তাহে ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত তোলা যাবে। গত সপ্তাহে চার লাখ টাকা এবং এর আগের সপ্তাহে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলনের সুযোগ ছিল। অর্থাৎ প্রতি সপ্তাহে টাকা তোলার সীমা বাড়ানো হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, প্রয়োজনীয়তার স্বার্থে প্রতি সপ্তাহে এক লাখ টাকা করে লিমিট বাড়ানো হচ্ছে।


আগামী সপ্তাহে একজন গ্রাহক সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করতে পারবেন। তবে কবে নাগাদ এই সীমাবদ্ধতা পুরোপুরি উঠে যাবে তা এখনই বলা যাচ্ছে না। চাইলে গ্রাহক ডিজিটাল লেনদেনে তাঁর প্রয়োজন মেটাতে পারবেন বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।

৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের যাত্রা শুরু হলেও এখনো নগদ টাকা পরিবহনে নিরাপত্তার শঙ্কা আছে। এ ছাড়া অনেকেই ব্যাংক থেকে বেশি পরিমাণ নগদ টাকা উত্তোলন করে ব্যাংক খাতকে অস্থিতিশীল করতে পারেন—এমন আশঙ্কা আছে।

এই বাস্তবতায় ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনে সীমা আরোপ করা হয়। তবে প্রতি সপ্তাহেই এই সীমা বাড়ানো হচ্ছে।
এখন নগদ টাকা উত্তোলনে সীমা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই সীমা প্রত্যাহার করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর