শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চরফ্যাসনে চাঁদা তোলা নিয়ে হামলা

মো. সাইফুল ইসলাম ,চরফ্যাসন (ভোলা)

প্রকাশিত:
১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৮:০২

আওয়ামী সরকার পতনের পরও বন্ধ হয়নি চাঁদা সংগ্রহ। চরফ্যাসন উপজেলা সদরে চাঁদা তোলা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে হামলার খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৫ জন আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিএনজি থেকে চাঁদা তোলার সময় চাঁদা না দেয়ার প্রতিবাদ করায় হামলার ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সদর রোড সিএনজি স্ট্যান্ডে ড্রাইভার মাহফুজের নেতৃত্বে মুরাদ নামের একজন সিএনজি ড্রাইভার প্রতিটি সিএনজি থেকে ৩০টাকা করে চাঁদা আদায় করে। আর এ চাঁদা না দেয়ার জন্য প্রতিবাদ করলে মাহফুজ, মুরাদ ও মেহেদী সিএনজি ড্রাইভারদের লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা করে মারধর করে বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মো. মনির।

অভিযোগকারী বলেন, মুরাদ চাঁদার টাকা নিতে আসলে মেহেদী ৩০টাক চাঁদা দেয়। এসময় আমরা একাধিক ড্রাইভার বাঁধা দিলে তারা আমাকেসহ রুহুল আমিন (৪০) রিয়াজ (৩৫) ও বেলাল (৩৭) এবং জাকির (৩২) কে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। পরে আমরা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি।

রুহুল আমিন ও মনির বলেন, দেশে নির্বাচিত সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোনো রকম চাঁদা দেবোনা এবং কোনো চাঁদা সংগ্রহ করতে দেয়া হবে না। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জানা গেছে, চরফ্যাসন উপজেলায় প্রায় শতাধিক সিএনজি রয়েছে। আওয়ামীলীগ সরকারের সময়কালে চরফ্যাসন পৌরসভার টোলসহ ১০০ টাকা করে চাঁদা দিতেন বলেও জানান সিএনজি ড্রাইভাররা।

হামলায় অভিযুক্ত মাহফুজ ও মুরাদ হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, আমরা এই হামলার সঙ্গে জড়িত নই।

চরফ্যাসন থানার ওসি শাখাওয়াত হোসেন বলেন, চাঁদা সংগ্রহের বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর