সোমবার, ১২ই মে ২০২৫, ২৯শে বৈশাখ ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি ও সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
  • আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি
  • র‌্যাব পুনর্গঠন করা হবে, পুলিশের হাতে মারণাস্ত্র থাকবে না
  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নেপালের ডেপুটি স্পিকার ইন্দিরা রানার সাক্ষাৎ
  • গেজেট এলে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে
  • দেশের ইতিহাসে গুমের সূচনা করেছে আওয়ামী লীগ
  • ফ্যাসিস্ট শাসকের পলায়নে গণতন্ত্রের প্রাথমিক বিজয় হয়েছে
  • স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন
  • শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা
  • মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষমতা পেলো সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ছাত্রলীগ নিষিদ্ধে ইবিতে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টিমুখ

ইবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
২৪ অক্টোবর ২০২৪, ১৫:৫৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯” এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে’ ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ নিষিদ্ধের খবরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ কর্মসূচি পালন করেছেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড়ে জড়ো হতে থাকে শিক্ষার্থীরা। পরে আনন্দ মিছিল ও ক্যাম্পাসের ডায়না চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে মিষ্টিমুখ করানোর মাধ্যমে উৎসবে মেতেছেন শিক্ষার্থীরা। এসময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ইবি শাখার সমন্বয়ক এস এম সুইট এর নেতৃত্বে কয়েকজন সহ-সমন্বয়ক এবং প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।

এর আগে মিছিলে ‘খবর এলো খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো; আনন্দের খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো; মিষ্টি খাওয়ার খবর এলো, ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হলো; ছাত্রলীগ জঙ্গি, খুনী হাসিনার সঙ্গী; মুজিব লীগের কবর দে, ঘরে ঘরে খবর দে; ছাত্রলীগের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না; দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা; এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়, ছাত্রলীগের কালো হাত; সাত মিনিটের খেলোয়াড়, এই মুহুর্তে বাংলা ছাড়’ স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।

এবিষয়ে ইবি শাখার সমন্বয়ক এস এম সুইট বলেন, ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধের পরেও একটি কুচক্রী মহল তাদের সমর্থন জুগিয়ে যাচ্ছে। একটি সংগঠন নিষিদ্ধ হওয়ার পরে যারা তাদের আশ্রয় দিবে তাদেরও শাস্তির বিধান রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অনুরোধ করব আপনারা তাদের চিহ্নিত করুন। তারা কারা তারা কিভাবে এখনো ছাত্রলীগের সমর্থন করে যায়।

তিনি আরও বলেন, গত ১৫ বছরের ছাত্রলীগ যেরকম ফ্যাসিস্ট ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিল আমাদের মধ্যেও যেন সেই ফ্যাসিস্ট জাগতে না পারে সেজন্য সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

এদিকে গতকাল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সকল প্রকার কার্যক্রম থেকে সরকার কতৃক প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে নিষিদ্ধ হয়েছে এমন খবরে রাতেই ক্যাম্পাসে মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর