সোমবার, ১২ই মে ২০২৫, ২৯শে বৈশাখ ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি ও সহযোগিতার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার
  • আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে প্রজ্ঞাপন জারি
  • র‌্যাব পুনর্গঠন করা হবে, পুলিশের হাতে মারণাস্ত্র থাকবে না
  • প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে নেপালের ডেপুটি স্পিকার ইন্দিরা রানার সাক্ষাৎ
  • গেজেট এলে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে
  • দেশের ইতিহাসে গুমের সূচনা করেছে আওয়ামী লীগ
  • ফ্যাসিস্ট শাসকের পলায়নে গণতন্ত্রের প্রাথমিক বিজয় হয়েছে
  • স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন
  • শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে প্রতিবেদন জমা
  • মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষমতা পেলো সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক

ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে ধর্ষণের শিকার নারী, গ্রেফতার ৬

মোসলেউদ্দিন(ইমরান), (ভাঙ্গা) ফরিদপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত:
৫ জানুয়ারী ২০২৫, ১৪:২৭

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে ধর্ষণের শিকার এক তরুনী । এই ঘটনায় ২ জন ধর্ষক ও ৪ জন ভিডিও ধারককে গ্রেফতার করেছে ভাঙ্গা থানা পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার ঐ নারীর বাসা ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে। সে পেশায় একজন জুট মিলের মহিলা শ্রমিক।

আটককৃতরা হলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আমজাদ খানের এর পুত্র আকরাম আলী (২৫), মধুখালী উপজেলার ছাত্তার মোল্লার পুত্র জুয়েল (৩০), এছাড়াও চুমরদী ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ারউদ্দিন মোল্যার পুত্র সাইদুল (৩০), সিরাজ শরীফের পুত্র মামুন শরীফ(৩০), ইউনুস মোল্যার পুত্র জুয়েল (২৫), রশিদ মোল্যার পুত্র বাবু মোল্যা (২৭)।

পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরাম আলী নামের এক টিকটকার তরুনীকে টিকটক ভিডিও করার মাধ্যমে টাকা উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে বোয়ালমারী থেকে ভাঙ্গায় নিয়ে আসেন। এরপর আকরাম সাবিনা নামের একজনের বাসায় স্বামী পরিচয়ে ভাড়া রাখেন ঐ নারী কে। এরপর রাতের বেলা আকরাম ও জুয়েল ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজন টের পেয়ে তাদের কে আটক করে। পরবর্তীতে তাদের কে রুমের মধ্যে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও করে।

এই বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোকছেদুর রহমান জানান, এক জুট মিল নারী শ্রমিককে টিকটক ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে বোয়ালমারী থেকে ভাঙ্গায় নিয়ে আসেন আকরাম নামের এক টিকটকার। পরবর্তীতে সে এবং তার সহযোগি জুয়েল ঐ নারীকে ধর্ষণ করে। এই ঘটনা টের পেয়ে স্থানীয় ৪ যুবক তাদের কে ধরে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও করেন। অভিযোগ পেয়ে আমরা অভিযান চালিয়ে ২ ধর্ষক এবং পর্নোগ্রাফী আইনে অপর ৪ জনকে গ্রেফতার করি ।

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় ২ টি ধর্ষণ মামলা একটি পর্নোগ্রাফি আইনে মামলার রুজু হবে। ভিকটিম কে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে হাসপাতালে এবং গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিজ্ঞ আদালতের প্রেরণ করা হবে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর