শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

চার জিম্মির মরদেহ ফেরত দিল হামাস

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৩৮

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, গাজা থেকে চারজন জিম্মির মরদেহ ইসরায়েলি বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এখন আনুষ্ঠানিক শনাক্তকরণের জন্য মরদেহগুলোকে জাফার আবু কবির ফরেনসিক ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাচ্ছে।

জিম্মিদের পরিবারদেরকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত্যু নিশ্চিত হলে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, পরিবারগুলোর গোপনীয়তা রক্ষার জন্য সম্মান প্রদর্শনেরও অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকালে গাজার খান ইউনিসে ওই চার জিম্মির মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। তাদের মধ্যে বিবাস পরিবারের তিন সদস্যও রয়েছে।

হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি অব্যাহত আছে। এরইমধ্যে হামাস গাজা থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তুলে নেওয়ার বিনিময়ে সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

বুধবার এক বিবৃতিতে হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাশেম দ্বিতীয় দফায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে তার সংগঠনের লক্ষ্য তুলে ধরেন। এর মধ্যে প্রস্তাবিত বন্দি বিনিময়ের বিষয়টিও রয়েছে।

এদিকে গাজার কর্তৃপক্ষ বলছে, ইসরায়েল এক লাখ ৩৫ হাজার ভ্রাম্যমাণ বাড়ি উপত্যকাটিতে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে। এর সঙ্গে বুলডোজারসহ অন্যান্য মানবিক সহায়তা প্রবেশেও বাধা দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, যুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় ৪৮ হাজার ২৯৭ ফিলিস্তিনির প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন এক লাখ ১১ হাজার ৭৩৩ জন।

তবে সেখানকার তথ্য দপ্তর এক হালনাগাদে জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০৯। কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে মারা গেছেন বলে মনে করা হচ্ছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর