শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন জ্যাকি চ্যান

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:২১

আন্তর্জাতিক কুংফু তারকা চ্যান কং স্যাং, বিশ্বজুড়ে যিনি ‘জ্যাকি চ্যান’ নামে পরিচিত। জ্যাকি চ্যান একজন হংকং ভিত্তিক অভিনেতা, অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার, মার্শাল আর্টিস্ট, চলচ্চিত্র প্রণেতা, রঙ্গ অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্য লেখক, উদ্যোক্তা, কণ্ঠশিল্পী, ও স্টান্ট পারফর্মার।

খ্যাতিমান এই সুপারস্টারকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ডের লোকার্নো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব কর্তৃপক্ষ।

আগামী ৬ থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসবের ৭৮তম আসর। যেখানে তাকে এ সম্মাননা জানানো হবে।

এই উৎসবটি মূলত স্বাধীন চলচ্চিত্রকে সম্মান জানাতে আয়োজন করা হয়। তাই এবারের উৎসবের আয়োজকরা বিশেষভাবে সম্মানিত করবেন একজন এমন শিল্পীকে যিনি পূর্ব ও পশ্চিম চলচ্চিত্র শিল্পের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়েছেন।

এ উৎসবের একটি বিশেষ আকর্ষণ হবে জ্যাকি চ্যানের উপস্থিতি। এ সময় তার পরিচালিত এবং অভিনীত দুটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র ‘প্রজেক্ট অ্যা’ (১৯৮৩) এবং ‘পুলিশ স্টোরি’ (১৯৮৫) প্রদর্শন করা হবে। এরপর ১০ আগস্ট তিনি একটি সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।

১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল হংকং-এ জন্ম গ্রহণ করেন জ্যাকি চ্যান। শৈশব থেকেই তাকে লড়তে হয়েছে দারিদ্র্যের সঙ্গে। কম্যুনিস্ট শাসন থেকে বাঁচতে ৭ বছর বয়সি জ্যাকিকে হংকংয়ে রেখেই বাবা-মা পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়। এরপর নিঃসঙ্গ চ্যান প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা লাভ করেন হংকংয়ের চাইনিজ অপেরা ইনস্টিটিউটে। সেখানেই শেখেন মার্শাল আর্ট, সঙ্গীত, অভিনয় ও অ্যাক্রোবেটিকস।

ভাগ্যের অন্বেষণে এক পর্যায়ে জ্যকি চ্যান পাড়ি জমান অস্ট্রেলিয়ায়। সেখানে যাওয়ার পর কাজ শুরু করেন নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে। তবে মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সুযোগ পান হলিউড সুপারস্টার ব্রুসলির স্টান্টম্যান হিসেবে কাজ করার। আর এ স্টান্টম্যানের কাজই ভাগ্য বদলে দেয় জ্যাকির।

ষাটের দশকে প্রথমবার ‘লিড রোলে’ চলচ্চিত্র অঙ্গনে পা রাখেন জ্যাকি চ্যান। অভিনয় জীবনে এখন পর্যন্ত নিজের কোনো সিনেমায় কখনও বডি ডাবল ব্যবহার করেননি জ্যাকি। নিজের স্টান্ট নিজেই করতে গিয়ে তিনবার ভেঙেছেন নাক, দুই হাতের সবগুলো আঙুল, কলারবোন এমনকি মাথার খুলিও। এতসব কাটাছেঁড়া আর ভাঙ্গা নিয়ে স্টান্ট করে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা তো পেয়েছেনই, গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসও তাকে দিয়েছে সবচেয়ে বেশি স্টান্ট করা অভিনেতার স্বীকৃতি।

সিনেমায় যেমনটা দেখা যায়, ব্যক্তি জ্যাকি চ্যান কিন্তু তার থেকে খুব বেশি আলাদা নন। কঠিন জীবন সংগ্রাম তাকে শিখিয়েছে বিচিত্র সব বিদ্যা। অনর্গল কথা বলতে পারেন ক্যান্টোনিজ, ম্যান্ডারিন, ইংলিশ, জাপানিজ, জার্মান, কোরিয়ান ও থাই ভাষায়। ৫৬ বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন দুইশর বেশি সিনেমায়। দীর্ঘ কর্মজীবনে অর্জনের খাতায় যোগ করেছেন সম্মানসূচক অস্কার পুরস্কারও।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর