শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ৬৩০ মিলিয়ন ডলারের ঋণচুক্তি সই

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
২৮ জুন ২০২৫, ১৪:০১

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ৬৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 

শুক্রবার (২৭ জুন) বাংলাদেশ সরকার ও জাপান সরকারের মধ্যে ৪৬তম ইয়েন লোন প্যাকেজের দ্বিতীয় ব্যাচের অধীনে ‘কনস্ট্রাকশন অব ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন বিটুইন জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী সেকশন প্রজেক্ট (আই)’ শীর্ষক প্রকল্পের জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের এনইসি-২ সভা কক্ষে এ ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী এবং জাপান সরকারের পক্ষে বাংলাদেশের জাইকা অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ ইচিগুচি টমোহাইড ঋণচুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। 

ঋণচুক্তির আওতায় জাপান সরকার বাংলাদেশকে মোট ৯২ হাজার ৭৭ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (প্রায় ৬৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ঋণ সহায়তা প্রদান করবে।

এর আগে, প্রধান উপদেষ্টার জাপান সফরকালে গত ৩০ মে জাপানের টোকিওতে প্রকল্পটির ঋণের জন্য বিনিময় নোট স্বাক্ষরিত হয়।

জয়দেবপুর-ঈশ্বরদীর মধ্যে বিদ্যমান রেলপথের ডাবল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে রেলপথের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নতকরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ১৬২ কিলোমিটার ডুয়েল গেজ মেইন লাইন, ২৫ কিলোমিটার লুপ ও সাইডিং লাইন, ১১ কিলোমিটার বিদ্যমান লাইন পুনর্নির্মাণ, তিনটি নতুন স্টেশন নির্মাণসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য কাজ করা হবে। প্রকল্পটির জন্য জাপান সরকার বিভিন্ন পর্যায়ে ঋণ প্রদান করবে। ইতোপূর্বে প্রকল্পটির ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভিসের জন্য জাপান সরকারের সঙ্গে ৪ হাজার ২২৮ মিলিয়ন জাপানিজ ইয়েন (প্রায় ৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) এর ঋণচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 

বর্তমানে প্রকল্পের ঋণের সুদের হার নির্মাণকাজের জন্য ২ শতাংশ, পরামর্শক সেবার জন্য শূন্য দশমিক ৬৫ শতাংশ এবং ফ্রন্ট অ্যান্ড ফ্রি (এককালীন) শূন্য দশমিক ২০। এ ঋণ ১০ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ৩০ বছরে পরিশোধযোগ্য।

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে অবকাঠামো উন্নয়ন, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন, পল্লী উন্নয়ন, পরিবেশ উন্নয়ন এবং মানব সম্পদ উন্নয়নসহ অন্যান্য খাতের প্রকল্পে ঋণ ও বিভিন্ন প্রকার অনুদান সহায়তা হিসেবে অদ্যাবধি জাপান সরকার ৩৩ দশমিক ৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর