শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল nagorikdesk@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে ইরানই সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে: বিশ্লেষক
  • ব্যাংক একীভূতকরণের উদ্যোগ চলমান রাখার বার্তা গভর্নরের
  • ইসরায়েল-মার্কিন যৌথ হামলায় ইরানে নিহত বেড়ে ৫৫৫
  • আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব
  • অপরাধ দমনে আরও বেশি সক্রিয় পুলিশ
  • ঢাকার আইসিইউয়ে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’ ছড়িয়ে পড়েছে
  • ভূমি প্রতিমন্ত্রী অফিসে গিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা কেউ আসেননি
  • রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে খামেনিকে হত্যা, বিবৃতিতে বাংলাদেশ
  • মঙ্গলবার থেকে মিলবে ঈদযাত্রায় ট্রেনের টিকিট

কর্মসূচি প্রত্যাহার, কাজে ফিরলেন এনবিআর কর্মকর্তারা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
৩০ জুন ২০২৫, ১৫:২৩

একদিন আগেও যেখানে ছিল স্লোগান, মিছিল আর উত্তেজনা-সেই এনবিআরের প্রধান ফটকে এখন নীরবতা। নেই দাবি-দাওয়ার পোস্টার, নেই গণমাধ্যমকর্মীদের ভিড়, এমনকি নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতাও চোখে পড়ছে না।

আন্দোলন থেমেছে, সবাই কাজে ফিরেছেন।

সোমবার (৩০ জুন) সকাল থেকে আগারগাঁওয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কার্যালয়ে দেখা যায়, কর্মকর্তারা যার যার টেবিলে বসে নিয়মিত কাজ করছেন।

চেয়ারম্যানের পদত্যাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থার অংশগ্রহণমূলক সংস্কারের দাবিতে টানা কয়েকদিন ধরে চলছিল কলম বিরতি, পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন ও ‘মার্চ ফর এনবিআর’ কর্মসূচি। তবে রোববার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় এনবিআর সংস্কারে ঐক্য পরিষদ কর্মসূচি প্রত্যাহারের ঘোষণা দেয়। এরপরই সবাই কাজে ফেরেন।

দুপুরে এনবিআর ঘুরে দেখা গেছে, অনেক কর্মকর্তাই সহকর্মীদের সঙ্গে গত ক’দিনের আন্দোলনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। অনেকে বলছেন, দাবি যৌক্তিক ছিল, তবে আপাতত কর্মসূচি স্থগিত হয়েছে। পাশাপাশি বদলি বা শাস্তিমূলক পদক্ষেপের আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, আমরা কেউ বিচ্ছিন্নভাবে আন্দোলন করিনি। বেশিরভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারীই রাজস্ব ব্যবস্থার অংশগ্রহণমূলক সংস্কার চাই। এনবিআরকে বিভাগে রূপান্তর করার সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এখন উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে, দেখি তারা কী করে।

কর্মসূচির প্রভাবে কিছুদিন ধরে এনবিআরের সেবাগ্রহীতাদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই কম। তবে সোমবার কিছুটা স্বস্তির দেখা মিলেছে, যদিও আগের মতো ভিড় এখনো হয়নি।

সেবা নিতে আসা আমিনুল ইসলাম বলেন, গত কদিন জরুরি কাজ ছিল, কিন্তু আন্দোলনের কারণে আসিনি। আজ এসে কাজ করিয়েছি। তবে মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে দাবি আদায় ঠিক না। আবার সরকারেরও উচিত যৌক্তিক দাবির প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া।

প্রসঙ্গত, রাজস্ব ব্যবস্থার অংশগ্রহণ মূলক সংস্কারের দাবিতে প্রথমে কলম বিরতি শুরু করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরে তা রূপ নেয় পূর্ণাঙ্গ শাটডাউন ও পদযাত্রায়। এতে রাজস্ব আদায়ে বিঘ্ন ঘটে, আমদানি-রপ্তানিতে তৈরি হয় সংকট।

এমন অবস্থায় সমস্যা সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে উচ্চ পদস্থ কমিটি গঠন ও সরকারের কঠোর অবস্থানের ফলে সোমবার (৩০ জুন) থেকে কর্মসূচি প্রত্যাহার হয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর